Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    এবার ভোটে নজরদারিতে AI, কিন্তু নির্ভুল তো এই প্রযুক্তি? ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ নিয়ে সংশয়

    2 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার করতে এবার বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। প্রতিটি বুথে নজরদারি বাড়াতে এবার ব্যবহার করা হচ্ছে AI প্রযুক্তি। ভোটের সময় কোনও অশান্তি বা গণ্ডগোল যেন না হয় সেই লক্ষ্যেই কমিশন এই ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই AI নিয়েই নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে, কারণ আগেও এই প্রযুক্তি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

    ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে বসানো হবে AI চালিত ক্যামেরা

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, এবার প্রতিটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে বসানো হবে AI চালিত ক্যামেরা, যা সারাক্ষণ নজর রাখবে বুথের ভিতরের পরিস্থিতির ওপর। জানা গিয়েছে, প্রতিটি বুথে ২ থেকে ৩টি করে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা বসানো হবে। এই ক্যামেরাগুলি একসঙ্গে অনেক লোক ঢুকলে বা কোনও অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হলে সঙ্গে সঙ্গে তা শনাক্ত করে কমিশনকে সতর্ক বার্তা পাঠাবে। শুধু তাই নয়, প্রতিটি জেলায় থাকবে আলাদা কন্ট্রোল রুম, সেখান থেকেও চলবে নজরদারি।

    নিয়ম ভাঙ্গলেই AI তথ্য পৌঁছে দেবে কমিশনের (Election Commission) কাছে

    এবারের নজরদারি ব্যবস্থা হবে চার স্তরে। প্রথমে থাকবেন রিটার্নিং অফিসার, তারপর জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, তারপরে সিইও অফিস। পাশাপাশি দিল্লির নির্বাচন সদন থেকেও গোটা প্রক্রিয়ার ওপর নজর রাখা হবে। মোট ৬৬০টি টিভি স্ক্রিনে এই লাইভ ফিড দেখা হবে বলে জানা গিয়েছে।
    এছাড়াও সিইও অফিসের তরফে ফ্লাইং স্কোয়াডের গাড়িতেও ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। ভোটকক্ষের দরজায় থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সিইও মনোজ আগরওয়াল স্পষ্ট জানিয়েছেন, একসঙ্গে চারজনের বেশি ভোটার বুথে ঢুকতে পারবেন না। কেউ এই নিয়ম ভাঙলেই AI ক্যামেরা সঙ্গে সঙ্গে তা ধরবে এবং কমিশনকে (Election Commission) জানাবে।

    তবে এই AI ব্যবস্থাকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন সংশয়। এর আগে ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ সংক্রান্ত নোটিস নিয়ে ব্যাপক সমস্যা হয়েছিল। বহু ক্ষেত্রে নামের বানান বা পদবির গরমিল ধরা পড়ে, এমনকি চ্যাটার্জি আর চট্টোপাধ্যায়ের মতো সাধারণ পার্থক্যও ধরতে পারেনি AI এমন অভিযোগ ওঠে। ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ে এবং বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনাও শুরু হয়।

    Election Duty Training Schedule for WB Poll Staff

    আরও পড়ুনঃ ভোটার তালিকায় ‘নাম উধাও’ আতঙ্ক! তৃতীয় তালিকা প্রকাশের পর বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন

    তৃণমূল এই ইস্যুতে সরব হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার পর এবার ভোটে AI ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ঘিরে আবারও প্রশ্ন উঠছে। এই প্রযুক্তি কতটা নির্ভরযোগ্য? সেই প্রশ্নই উঠেছে।
    সব মিলিয়ে, ভোটে শান্তি বজায় রাখতে কমিশন (Election Commission) কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু AI niye বিতর্কও চলছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    মমতা ব্যানার্জী থ্রেট কালচার চালান, অভিযোগ পানিহাটির বিজেপি প্রার্থী অভয়ার মা এর।
    Next Article
    কামারহাটিতে মদন মিত্রের প্রচারে অভিনেতা দেব

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment