Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    চিনা পণ্য ঘুরপথে আমেরিকায়, নিশানায় ভারত! ‘গ্রেট ট্রান্সশিপমেন্ট স্ক্যাম’-এ বড় অভিযোগ

    1 hour ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: চিনের (China) পণ্যের উপর একের পর এক চড়া শুল্ক বসিয়ে বাণিজ্যিক চাপ বাড়াচ্ছে আমেরিকা (America)। এর মধ্যেই চিনা পণ্যকে তৃতীয় কোনও দেশের মাধ্যমে মার্কিন বাজারে ঢুকিয়ে শুল্ক এড়ানোর অভিযোগ উঠল ভারতের বিরুদ্ধেও। এই বিষয়টি সামনে এনে হোয়াইট হাউসের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে ‘The Great Transshipment Scam’ নামে একটি রিপোর্ট। রিপোর্টে বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশকে চিনা পণ্যের কথিত ট্রান্সশিপমেন্ট নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে এবং ভারতকে রাখা হয়েছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ Tier 1-এর তালিকায়। মার্কিন প্রশাসনের অন্যতম উপদেষ্টা পিটার নাভারো এই রিপোর্ট সামনে এনেছেন। তবে রিপোর্টে ওঠা অভিযোগগুলি মূলত মার্কিন প্রশাসনের নিজস্ব বিশ্লেষণ ও অনুমানের ভিত্তিতে করা হয়েছে।

    গ্রেট ট্রান্সশিপমেন্ট স্ক্যাম রিপোর্টে ভারত ও চিনের (China) বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলল আমেরিকা

    হোয়াইট হাউসের দাবি, চিনা (China) পণ্যের উপর আমেরিকার উচ্চ শুল্ক কার্যকর হওয়ার পর সরাসরি চিন থেকে পণ্য পাঠানোর বদলে তৃতীয় দেশের মাধ্যমে রফতানির প্রবণতা বেড়েছে। অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে পণ্যের সামান্য পরিবর্তন, প্যাকেজিং বা লেবেল বদলে কিংবা নথিপত্রে পরিবর্তন এনে সেগুলিকে অন্য দেশের পণ্য হিসেবে দেখানো হয়েছে। এর ফলে চিনের উপর প্রযোজ্য বেশি শুল্ক এড়িয়ে তুলনামূলক কম হারে মার্কিন বাজারে পণ্য ঢুকেছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। ২০১৮ সালে চিনের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে তৎকালীন ট্রাম্প প্রশাসন Section 301-এর আওতায় একাধিক চিনা পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করেছিল। মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য, এরপর থেকেই এই ধরনের তৃতীয় দেশের মাধ্যমে পণ্য পাঠানোর প্রবণতা আরও বেড়েছে।

    আরও পড়ুন: ভারতকে সবচেয়ে ভালোবাসে এই দেশ, সবচেয়ে বিরোধিতা পাকিস্তানের! কী বলছে Pew-এর রিপোর্ট?

    রিপোর্টে ভারত ছাড়াও কানাডা, জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইজরায়েল এবং মেক্সিকোর মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদারের নাম রয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, ২০২৫ সালে মেক্সিকো, ভারত ও ভিয়েতনামের মতো বড় ট্রান্সশিপমেন্ট হাব ব্যবহার করে চিন থেকে আমেরিকাগামী প্রায় ৬৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য ঘুরপথে গিয়েছে। এর ফলে প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক রাজস্ব আমেরিকার হাতছাড়া হয়েছে বলে রিপোর্টে হিসাব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে চিনা পণ্যের এই প্রবাহের কারণে মার্কিন নির্মাণ শিল্প প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে বলেও দাবি করা হয়েছে। রিপোর্টে আরও একটি মডেলভিত্তিক হিসাব তুলে ধরে বলা হয়েছে, বছরে প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলারের বেআইনি ট্রান্সশিপমেন্ট হলে প্রায় ৪.৫ লক্ষ মার্কিন চাকরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে এগুলি সরাসরি চাকরি হারানোর পরিসংখ্যান নয়, বরং মডেলের ভিত্তিতে করা অনুমান।

    ভারতের ক্ষেত্রেও রিপোর্টে নির্দিষ্ট কিছু শিল্পাঞ্চলের উল্লেখ করা হয়েছে। পুণে-গুজরাত-চেন্নাই শিল্প করিডরকে কেন্দ্র করে চিনা বৈদ্যুতিক পাম্প ও কম্প্রেসর মার্কিন বাজারে পৌঁছনোর অভিযোগ তোলা হয়েছে। মার্কিন রিপোর্টের দাবি, এই ধরনের বাণিজ্যের ফলে ভারতের সংশ্লিষ্ট শিল্পাঞ্চলগুলি অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হলেও আমেরিকার ওহায়ো প্রদেশের সিনসিনাটি, ডেটন ও কলম্বাসের মতো শহরের নির্মাতারা প্রতিযোগিতার চাপে পড়েছেন। পাশাপাশি মার্কিন অর্থনীতিতে সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ নিয়েও রিপোর্টে বিভিন্ন হিসাব দেওয়া হয়েছে। সেখানে GDP-তে বছরে ১১৩ থেকে ১৫০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতির আশঙ্কা এবং ফেডারেল সরকারের ১৯ থেকে ২৬ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব কমার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। তবে এই পরিসংখ্যানগুলিও মডেলভিত্তিক অনুমান।

    The US has leveled serious allegations against India and China

    আরও পড়ুন: Ola-Uber-Rapido-তে রাইড বুকিংয়ে আর বাড়তি টাকা নয়, কড়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে চিনা (China) পণ্যের শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার ক্ষেত্রে যে দেশ বা সংস্থাগুলি সহযোগিতা করছে, তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছে হোয়াইট হাউস। সম্ভাব্য পদক্ষেপের মধ্যে পণ্য আটক, অতিরিক্ত শুল্ক, নিষেধাজ্ঞা এবং প্রয়োজনে মার্কিন বাজারে প্রবেশের সুযোগ সীমিত করার মতো ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। ফলে বিষয়টি ভারতের জন্যও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। রিপোর্টে ভারতের নাম ওঠার পর নয়াদিল্লির সঙ্গে ওয়াশিংটনের বাণিজ্য আলোচনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠতে পারে চিনা পণ্যের পুনঃরফতানি ও ট্রান্সশিপমেন্ট নিয়ে। যদিও মার্কিন রিপোর্টের অভিযোগ মানেই ভারতের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণিত অনিয়ম নয়, তবুও এই ইস্যু ভবিষ্যতে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    আজকের রাশিফল ১৫ অগাস্ট, বড়সড় সুসংবাদ পাবে এই চার রাশি
    Next Article
    বিতর্কের জেরে বদলে গেল রামপুরহাটের রাস্তার নাম! ফিরল নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু রোড

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment