Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    বিঘা প্রতি ২৫ হাজার টাকার লোকসান! ডিসেম্বরের ‘ডেডলাইন’ নিয়েও মহাচিন্তায় আলু চাষিরা

    16 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ একদিকে ডিসেম্বর মাসের ডেডলাইন, অন্যদিকে ভিনরাজ্যে আলু (Potato) রফতানি হলেও মিলছে না আশানুরূপ দাম। এক এক বিঘায় কয়েক হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে আলু চাষিদের (Potato Farmers)। এই নিয়ে মহা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, সরকার যদি সাহায্য না করে, তাহলে তাঁদের চরম সমস্যায় পড়তে হবে।

    মহাবিপাকে পড়েছেন আলু চাষিরা | (Potato Farmers)

    এই বছর মাঠে দাম না পাওয়ায় প্রচুর আলু নষ্ট হয়েছে। পরিস্থিতি দেখে হিমঘরে আলু মজুত করতে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। দামের তুলনায় বেশি টাকা দিয়ে সেখানে আলু মজুত করেন চাষিরা। এখন সেই নিয়েই চাপে পড়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ বিয়ে করলেই সরকার দেবে ৫ লাখ! বাম্পার এই প্রকল্পের সুবিধা কারা পাবেন? আবেদন পদ্ধতি জানুন

    জানা গিয়েছে, ২ বিঘা জমিতে চাষ করলে ১ গাড়ি অর্থাৎ ২০০ বস্তা আলুর ফলন হয়। চাষের জন্য খরচ হয় ৬২ হাজার টাকা। জমি থেকে সেই আলু তোলার পর হিমঘরে পাঠাতে আরও ১৬ হাজার টাকা ব্যয় হয়। এদিকে বর্তমানে সেই আলুর বন্ড ২৫ হাজার থেকে ২৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেই হিসেবে এক বিঘা জমিতে প্রায় ২৫ হাজার টাকা মতো লস হচ্ছে কৃষকদের।

    এছাড়া চাষিদের থেকে গড়ে প্রায় ৪৭ হাজার টাকায় আলু কিনে হিমঘরে মজুত করতে খরচ হয়েছে। বর্তমানে সেই আলু ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেই কারণে ২০০ প্যাকেটে ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকার লোকসান হচ্ছে।

    অন্যদিকে জানা গিয়েছে, হিমঘরে মজুত থাকা বেশিরভাগ আলুই কৃষকদের। বর্তমানে হিমঘরে আলুর দাম একদম কমে গিয়েছে। হিমঘর থেকে আলু বিক্রির পরিমাণও হ্রাস পেয়েছে। হিমঘর থেকে আলু কিনেই ব্যবসায়ীরা ভিনরাজ্যে রফতানি করেন। তাঁদের দাবি, আলুর দাম নেই, ভিনরাজ্যেও সেভাবে ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না।

    রাজ্যে হুগলির পর পশ্চিম মেদিনীপুরে সবচেয়ে বেশি আলু চাষ হয়। চন্দ্রকোনা আলু চাষের গড় নামে পরিচিত। সেখানকার কোল্ড স্টোরেজগুলিতে প্রচুর পরিমাণে আলু রয়েছে। হিমঘর সূত্রে খবর, প্রথমদিকে ২০০ প্যাকেট আলু মজুত করতে ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। পরবর্তীতে দাম কমে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়। বর্তমানে হিমঘরে ২০০ প্যাকেট আলু ২৩ হাজার টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    এই বিষয়ে চন্দ্রকোনার বিধায়ক সুকান্ত দোলুই বলেন, “আগের সরকারের আমলে ভিনরাজ্যে রফতানি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে নতুন সরকারের তরফে বর্ডার খুলে দেওয়া হলেও আলু সংগ্রহ হয়ে যাওয়ার কারণে কেউ আর কিনছে না।“

    Potato farmers

    একদিকে আলুর বাজার খারাপ, অন্যদিকে ডিসেম্বর মাসের ডেডলাইন। দুইয়ের জেরে আলু চাষি থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী, হিমঘর সংগঠন সকলে চিন্তায় পড়েছেন। কারণ সরকারি নিয়ম অনুসারে, ডিসেম্বরে হিমঘর খালি করতে হয়। মাঝে দু’মাস মেরামতির কাজের পর মার্চ থেকে নতুন করে মজুত করা যায়।

    এদিকে এবার অধিক ফলন হওয়ার কারণে হিমঘরগুলিতে অতিরিক্ত আলু মজুত রয়েছে। আলু ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির আশঙ্কা, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এই বিপুল পরিমাণ আলু বিক্রি প্রায় অসম্ভব। শেষমেশ কী হয় সেটাই দেখার।

    Click here to Read More
    Previous Article
    Abhishek Banerjee: হালিশহরের ঘটনা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ অভিষেকের | Halisahar | Mamata Banerjee
    Next Article
    ‘পুলিশ ব্যবস্থা নেবে’, রাজনৈতিক বিরোধ ভুলে মমতার নিরাপত্তায় শুভেন্দুর আশ্বাস

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment