Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    বাড়বে বাণিজ্য! জোরদার হবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই, নিউজিল্যান্ড থেকে ‘মোদী গ্যারান্টি’ প্রধানমন্ত্রীর

    2 weeks ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: পাঁচ দিনের ত্রিদেশীয় সফরের শেষ পর্যায়ে শুক্রবার নিউজিল্যান্ডে (India-New Zealand) পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। অকল্যান্ড বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন (Christopher Luxon)। দীর্ঘ প্রায় চার দশক পর কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর নিউজিল্যান্ড সফর হওয়ায় এই সফরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। শনিবার অকল্যান্ডে প্রবাসী ভারতীয়দের এক বৃহৎ সমাবেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি ভারত-নিউজিল্যান্ড সম্পর্ক, মুক্ত বাণিজ্য, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যৌথ লড়াই এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে বহুল আলোচিত ‘মোদি গ্যারান্টি’-র প্রসঙ্গও, যা উপস্থিত ভারতীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

    ভারত ও নিউজিল্যান্ড (India-New Zealand) সম্পর্ক নিয়ে বড় বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির:

    ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত ও নিউজিল্যান্ডের (India-New Zealand) সম্পর্ক শুধুমাত্র কূটনৈতিক নয়, বরং এটি পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের যৌথ লক্ষ্যকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে। নিউজিল্যান্ডের মাওরি সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ‘ওয়াকা’-র উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি শুধু একটি নৌকার প্রতীক নয়, বরং একসঙ্গে এগিয়ে চলার মানসিকতার প্রতীক। তাঁর কথায়, ভারত ও নিউজিল্যান্ডও এখন সেই ‘ওয়াকা’-র মতোই একটি নতুন যৌথ যাত্রায় শামিল হতে প্রস্তুত। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হওয়ার পর শনিবার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিকভাবে কৌশলগত অংশীদারিত্বের পর্যায়ে উন্নীত করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৩৫ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সহযোগিতা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, কৃষি, শিক্ষা এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: কাছেই রাখুন ছাতা! একটু পরই ভারী বৃষ্টি শুরু কলকাতা সহ এই ৭ জেলায়, রবিতে বাড়বে আরও

    অকল্যান্ডের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়েরও আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ কোনও একটি দেশের সমস্যা নয়, এটি সমগ্র মানবতার জন্য হুমকি। তাই এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি তিনি ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে বলেন, নানা বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতিগুলির অন্যতম হিসেবে নিজের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। বর্তমানে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম টিকা উৎপাদনকারী দেশ, মোবাইল ডেটা ব্যবহারে অন্যতম শীর্ষ দেশ, দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম গম উৎপাদনকারী দেশ। তাঁর মতে, এই সাফল্য ভারতের উৎপাদন ক্ষমতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং উদ্ভাবনী শক্তিরই প্রতিফলন।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আজকের ভারত শুধু নিজের উন্নয়নের কথা ভাবছে না, বরং বিশ্বের নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্টার্টআপ, নবায়নযোগ্য শক্তি, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং উৎপাদন খাতে ভারতের অগ্রগতি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আস্থা তৈরি করেছে। তিনি প্রবাসী ভারতীয়দের দেশের উন্নয়নের দূত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভারতীয়দের সাফল্য ভারতের মর্যাদা আরও বাড়িয়ে তুলছে। ভারত ও নিউজিল্যান্ডের জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক সম্পর্ক আরও গভীর হলে দুই দেশের সহযোগিতাও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    Modi gave a strong message on India-New Zealand relationship.

    আরও পড়ুন: হুইস্কি থেকে বিলাসবহুল গাড়ি! ১৫ জুলাই থেকে দাম কমছে একাধিক জিনিসের, তালিকায় রয়েছে কী কী?

    ভাষণের শেষ অংশে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বহুল আলোচিত ‘মোদি গ্যারান্টি’-র প্রসঙ্গ টেনে বলেন, কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর নিউজিল্যান্ড (India-New Zealand) সফর হতে ৪০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে আর এত দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হবে না। তিনি বলেন, “এবার আর ৪০ বছর সময় লাগবে না, এটা মোদির গ্যারান্টি। আর মোদির গ্যারান্টি মানেই সেই গ্যারান্টি পূরণেরও গ্যারান্টি।” তাঁর এই মন্তব্যে উপস্থিত প্রবাসী ভারতীয়রা করতালিতে ফেটে পড়েন। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই সফর শুধু দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ককেই নতুন গতি দেবে না, বরং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৌশলগত সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    যুবশক্তির সুবিধা থেকে বাদ যাবে যুবতী-তরুণীরা? বেকারভাতার জন্য কারা যোগ্য জেনে নিন
    Next Article
    Nirmal Ghosh: 'ঋত তৃণমূলে জায়গা পেলেন?' প্রশ্নে কী জবাব দিলেন নির্মল ঘোষ?

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment