Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    আর বাড়বে না বিমানের ভাড়া? ১০,০০০ কোটির ATF ফান্ডের অনুমোদন সরকারের, বাঁচবে ৭৭ লক্ষ চাকরি

    57 minutes ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: ভারতের এভিয়েশন সেক্টরকে স্বস্তি দিয়ে এবার একটি বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কেন্দ্র। মূলত, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই সেক্টরকে উল্লেখযোগ্য সহায়তা প্রদান করেছে। ইতিমধ্যেই সরকার ১০,০০০ কোটি টাকার একটি ATF (এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল) ফান্ড (ATF Fund) অনুমোদন করেছে। এর অর্থ হল, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক তেল কোম্পানিগুলিকে (OMCs) কোনও সুদ ছাড়াই অগ্রিম অর্থ সরবরাহ করবে। বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের কারণে ATF-এর মূল্যে যে ব্যাপক ওঠানামা হচ্ছে, তা প্রশমিত করতে এবং বিমান সংস্থাগুলিকে যেকোনও ধরণের অসুবিধা থেকে রক্ষা করার জন্য এই সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। আরও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ফলে এভিয়েশন সেক্টরের ৭৭ লক্ষ চাকরি সুরক্ষিত থাকবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

    ১০,০০০ কোটির ATF ফান্ডের (ATF Fund) অনুমোদন সরকারের:

    ইতিমধ্যেই মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “‘আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ ৬ টি প্রধান সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে। প্রথম সিদ্ধান্তটি পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের কারণে সৃষ্ট ATF-এর ক্রমবর্ধমান মূল্য এবং এভিয়েশন সেক্টরের ওপর এর প্রভাব সম্পর্কিত। এই প্রভাব প্রশমিত করার জন্য ১০,০০০ কোটি টাকার একটি ‘ATF প্রাইস স্টেবিলাইজেশন ফান্ড’ গঠন করা হয়েছে।”

    Government approves Rs 10,000 crore ATF fund.

    এই ফান্ডের প্রধান বৈশিষ্ট্য: এক্ষেত্রে তেল বিপণন সংস্থাগুলিকে (OMCs) ১০,০০০ কোটি টাকার সুদমুক্ত সাহায্য করা হবে। যার ফলে তারা বিমান সংস্থাগুলিকে কম দামে ATF সরবরাহ করতে পারবে। এদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে ATF-এর দাম কমলে তেল কোম্পানিগুলি সরকারকে সেই অর্থ ফেরত দেবে। সম্পূর্ণ অর্থ আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। এর ফলে সমস্ত ভারতীয় বিমান সংস্থা লাভবান হবে। এই প্রকল্পটি অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রত্যেক ভারতীয় বিমান সংস্থার জন্য উপলব্ধ হবে এবং এটি ডোমেস্টিক ও ইন্টারন্যাশনাল উভয় ফ্লাইটের জন্যই ইতিবাচক হবে।

    স্থির জ্বালানি মূল্য: এই ব্যবস্থার অধীনে, বিমান সংস্থাগুলি আরও স্থিতিশীল এবং অনুমানযোগ্য জ্বালানি মূল্য পাবে। এর ফলে আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির ঝুঁকি কমবে এবং বিমান সংস্থাগুলি আরও ভালো আর্থিক পরিকল্পনা করতে পারবে। এদিকে, এক্ষেত্রে ATF শুধুমাত্র OMC থেকে ক্রয় করা হবে। এছাড়াও, এই প্রকল্পে অংশগ্রহণকারী বিমান সংস্থাগুলিকে সর্বোচ্চ ৩ বছরের জন্য শুধুমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত মালিকানাধীন তেল কোম্পানিগুলি থেকে ATF ক্রয় করতে হবে। এই ব্যবস্থাটি প্রতি বছর পর্যালোচনা করা হবে।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে বড় প্রস্তুতি, ফের হবে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা? জারি NOTAM

    এই পরিকল্পনাটি কেন প্রয়োজনীয়: মূলত, পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কটের কারণে ATF-এর দামে তীব্র বৃদ্ধি ঘটেছে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে ATF-এর দাম ছিল প্রতি লিটারে প্রায় ৬০.৫০ টাকা। ২০২৬ সালের মে মাস নাগাদ তা বেড়ে প্রতি লিটারে প্রায় ১৪২ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এর অর্থ হল, মাত্র ২ মাসে দাম প্রায় আড়াই গুণ বেড়েছে। এদিকে, পরিসংখ্যান অনুযায়ী একটি এয়ারলাইন্সের মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশই ATF-এর ক্ষেত্রে খরচ হয়। তাই, যদি জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, তবে এই অংশ ৬০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। এছাড়াও, ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলির জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং মধ্য এশিয়ার ফ্লাইটগুলিকে দীর্ঘ পথ অবলম্বন করতে হচ্ছে। এতে জ্বালানি খরচ ও ব্যয় উভয়ই বেড়েছে। এইসব কারণে, সরকার বিমান সংস্থা, যাত্রী এবং সমগ্র এভিয়েশন সেক্টরকে অর্থনৈতিক ধাক্কা থেকে রক্ষা করার জন্য এই বিশেষ প্রকল্প চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    আরও পড়ুন: মাঝ সমুদ্রেই শত্রুদের বিনাশ করবে MARCOS! আত্মনির্ভরতার মাধ্যমে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী

    এর ফলে কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে: এহেন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের মাধ্যমে বিমান চলাচল স্থিতিশীল হওয়ার পাশাপাশি বিমান ভাড়ায় আকস্মিক ও ব্যাপক বৃদ্ধির সম্ভাবনা হ্রাস পাবে। এছাড়াও, ডোমেস্টিক ও ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট পরিষেবা বজায় রাখতেও সাহায্য করবে। যার মাধ্যমে ছোট শহর থেকে শুরু করে, আঞ্চলিক এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বজায় থাকবে। এছাড়াও বিমানবন্দরের পরিকাঠামো আরও ভালোভাবে ব্যবহারের পাশাপাশি পর্যটন, বাণিজ্য, হোটেল, লজিস্টিকস এবং বিনিয়োগের মতো সেক্টরগুলি উপকৃত হবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    “যারা বলছে আমরা মমতা ব্যানার্জিকে মানি, তারা আবার শোভনদেব কে মানেনা, এর মানে কি ?” Kunal Ghosh
    Next Article
    হজ ভবনের রঙ বদল ঘিরে বিতর্ক, সবুজের বদলে গেরুয়া রঙে সাজানো নিয়ে রাজনৈতিক তরজা !

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment