Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ‘আমরা পারলাম না..,’ সকলে পাবেন না বকেয়া DA? রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় আপডেট

    6 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সুপ্রিম নির্দেশের পর ডিএ ইস্যুতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মেটাতে উদ্যোগী নবান্ন। রাজ্য সরকারি কর্মীরাদের (Government Employees) বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ মেটাতে চলতি সপ্তাহেই একটি পোর্টাল চালু করেছে অর্থ দফতর। অর্থ দপ্তরের সেই পোর্টালে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের পুরনো বকেয়ার হিসাব আপলোড করতে শুরু করেছেন ইতিমধ্যেই। তাহলে কী বকেয়া হাতে আসা কেবল সময়ের অপেক্ষা? এসব নিয়ে যখন চর্চা চলছে সেই সময়ই সামনে উঠে আসছে একাধিক প্রশ্ন।

    ডিএ মেটাতে পোর্টাল চালু হলেও কাটছে না জটলা | Dearness Allowance

    জানা যাচ্ছে, সরকারি পোর্টালে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএর হিসাব আপলোড করা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই নবান্নের এই পদক্ষেপে আশায় সরকারি কর্মচারীরা। তবে এরই মাঝে খটকা! সরকারি কর্মচারী ছাড়াও বকেয়া ডিএ রাজ‌্যের শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা, সরকার অনুমোদিত স্বশাসিত সংস্থা এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থাগুলিরও পাওয়ার কথা। কিন্তু, অভিযোগ উঠতে, ওই পোর্টালে সরকারি কর্মচারীরা ছাড়া বাকি ডিএ প্রাপকরা তাঁদের বকেয়া হিসাব আপলোড করতে পারছেন না।

    তাহলে কি শুধুমাত্র সরকারি কর্মীরাই বকেয়া পাবেন? বাকি ডিএ প্রাপকদের কি সরকার আদৌ ডিএ দেবে? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে রাজ্যের অর্থসচিব প্রভাত মিশ্রকে একটি চিঠি দিয়েছেন সিপিএমের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কো অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বিশ্বজিৎ গুপ্ত চৌধুরী।

    এই বিষয়ে কনফেডারেশন অব স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “একজন বয়স্ক-মুমূর্ষ শিক্ষক যখন বলেন, “মলয় বাবু আমরা কি তাহলে ডিএ পাবো না?” এহেন উক্তি সব থেকে আমাদেরকে ব্যথিত করে। হ্যা আমরা পারলাম না। তবে গ্রান্ট-ইন-সার্ভিস কর্মীদেরও প্রাথমিক ভাবে কিছুটা বকেয়া ডিএ’র অংশ সরকার তুলে দিতে পারতো।কিন্তু তা দিল না। আগামী মামলাতে তা তুলে ধরা হবে, তবে সামনে ভোট তাই গ্রান্ট-ইন-সার্ভিস এর নিজ নিজ সংগঠন গুলোকে এবার সরব হতে হবে।

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাজ্যের অর্থ দফতর নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মোট ৪৮ মাসের বকেয়া ডিএ দিয়ে দেওয়া হবে। গত ১৫ মার্চ ডিএ-র বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা, সরকার অনুমোদিত স্বশাসিত সংস্থা এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থাগুলিও ডিএ পাবেন বলে উল্লেখ করেছিলেন। রোপা-২০০৯ অনুযায়ী বকেয়া ডিএ মার্চ ২০২৬ থেকে দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছিলেন মমতা।

    Dearness Allowance

    আরও পড়ুন: ‘যুবসাথী সবাইকে..,’ বেকার ভাতা নিয়ে বড় আপডেট দিলেন মমতা

    সেই সময় রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিভিন্ন অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও বকেয়া পাওয়ার তালিকায় রয়েছেন বলে উল্লেখ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার শেষ পর্যন্ত এই পোর্টালের আওতায় তারা জায়গা পান কি না সেটাই দেখার।

    Click here to Read More
    Previous Article
    আজই প্রকাশ্যে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট, কদ্দূর এগোলো ট্রাইব্যুনালের কাজ? হাইকোর্টকে চিঠি CEO-র
    Next Article
    বকেয়া ডিএ নিয়ে বড় পদক্ষেপ রাজ্যের

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment