Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    আদালতে বিস্ফোরক দাবি অভয়ার বাবার, “যা শেখানো হত, তাই বলতে হত”

    1 week ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar) মামলায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল শিয়ালদহ আদালত চত্বর। শুক্রবারের শুনানিতে আদালতে একদিকে সিবিআই তাদের রিপোর্ট পেশ করে, অন্যদিকে তদন্তের ধারা ও আইন প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ উগরে দেন নির্যাতিতার বাবা। আদালতের বাইরে দাঁড়িয়ে একাধিক অভিযোগ তোলেন তদন্তকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের বিরুদ্ধে।

    অভিযোগ আর জি কর মাম‌লার (RG Kar) অভয়ার বাবার ?

    নির্যাতিতার বাবা অভিযোগ করেন যে আদালত কক্ষে তাঁদের বক্তব্য অনেক সময় নির্দিষ্টভাবে সাজিয়ে দেওয়া হত। তাঁর কথায়, “গত ১১ জানুয়ারি প্রথম আদালত কক্ষে ঢুকি। তার আগে কখনও আদালত কক্ষে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। সিবিআই আইনজীবী অনুরাগী মোদিকে নির্মল ঘোষের আইনজীবীর পিঠ চাপড়াতে দেখেছি। বলেন, কিছু হবে না। এই তো সিবিআইয়ের আইনজীবীর চরিত্র।”

    তিনি আরও দাবি করেন, সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিক সীমা পাহুজার ভূমিকা নিয়েও তাঁদের ওপর চাপ তৈরি হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার ব্যাখ্যা ও আদালতে কী বলা হবে তা নিয়েও প্রভাব বিস্তার করা হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমাদের শিখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা বাড়িতে গিয়ে বলেছিলেন, এর বাইরে কিছু বললে সঞ্জয়কে আটকে রাখতে পারব না। ভয় দেখানো হয়েছে। আজ বলছে লিখিত অভিযোগ দিইনি।” একইসঙ্গে সিবিআইয়ের আইনজীবী পার্থ দত্ত সম্পর্কেও তিনি অভিযোগ তোলেন যে, তিনিও নাকি তাঁদের বক্তব্য আগে থেকেই নির্ধারণ করে দিতেন।

    অন্যদিকে, এদিন আদালতে নির্যাতিতার পক্ষের আইনজীবী ফের দাবি জানান যে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ, প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-কে তদন্তের আওতায় আনা উচিত। তবে সিবিআই স্পষ্ট জানায়, এই তিনজনের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। এই অবস্থানেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন নির্যাতিতার বাবা।

    আদালতের বাইরে নির্যাতিতার মা ঘটনার দিনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “ঘটনার দিনে ১০টা ৫৩ মিনিটে একটা ফোন পাই। বলা হয় আমার মেয়ে অসুস্থ। গাড়িচালককে ডেকে নিচে নামার সময় শুনি মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। তাড়াতাড়ি আসুন। আমরা আর জি করে গিয়ে ৩ ঘণ্টা বসেছিলাম। মেয়েকে একবারও দেখতে দেওয়া হয়নি। সেখানে আইপিএস অফিসারের ভিড়। অকুস্থলে আরও অনেকে ছিলেন। আমার মনে হয় যাঁরা অকুস্থলে ছিলেন তাঁরাই অপরাধী।”

    Abhaya's father makes explosive claim in court in RG Kar Case

    আরও পড়ুন :মেসি মূর্তি অতীত, শীঘ্রই বসবে বাঙালির প্রিয় স্ট্যাটু, বড় খবর শোনালেন নয়া ক্রীড়া মন্ত্রী

    উল্লেখ্য, রাজ্যের পালাবদলের পর ‘আর জি কর ফাইলস’ পুনরায় খোলা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই তিন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। আদালত ও তদন্ত প্রক্রিয়া ঘিরে একদিকে যেমন নতুন তথ্য উঠে আসছে, তেমনই অন্যদিকে পরিবার ও তদন্তকারী সংস্থার পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে এই মামলার জট আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ফিরহাদের পদত্যাগের নেপথ্যে কে? বড় কথা বকে দিলেন সজল ঘোষ
    Next Article
    রোজকার যাতায়াতে দুর্ভোগ, দুর্গাপুর-হাওড়া সরাসরি ট্রেনের দাবিতে সরব সাধারণ মানুষ

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment