Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    মূল্যবৃদ্ধির জেরে কোপ! অঙ্গনওয়াড়িতে বন্ধ ডিম

    2 weeks ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক : ডিম (Eggs) পে চৰ্চা। রাজ্যে একদিকে খাওয়ার চাহিদা অন্যদিকে বিক্ষুব্ধ জনতার ডিম ছুড়ে মারার চাহিদাও তুঙ্গে। বেশ কিছুদিন ধরে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েই চলেছে ডিমের দাম। বাজারে বর্তমানে সাড়ে আট টাকা পিস ডিম বিক্রি হচ্ছে। ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির জেরে করিমপুরের অঙ্গনওয়াড়ি (Anganwadi) কেন্দ্রগুলিতে শিশু, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের আহার থেকে বাদ পড়ল ডিম।

    ডিমের মূল্যবৃদ্ধির এফেক্ট অঙ্গনওয়াড়িতে | Eggs

    জানা যাচ্ছে, বাজেটে টান পড়ায় গত ১ জুলাই থেকে করিমপুর ১ ও ২ ব্লকের প্রায় সাড়ে ছয়শো অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ডিম সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে। ডিম না দিলে পুষ্টি কীভাবে মিলবে সেই প্রশ্ন তুলছেন তারা। অভিভাবকদের অভিযোগ, পুষ্টিকর খাদ্যের অন্যতম প্রধান উপাদান ডিম না মেলায় শিশু এবং মায়েরা সরকারের নির্ধারিত পুষ্টি পরিষেবা পাচ্ছেন না ঠিক মতো।

    সরকারি নিয়ম বলছে, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্দিষ্ট খাদ্যতালিকা অনুসরণ করা হয়। সেখানে প্রতি সপ্তাহে সোমবার, বুধবার এবং শুক্রবার শিশু ও মায়েদের জন্য গোটা ডিমের সঙ্গে ভাত পরিবেশন করার উল্লেখ রয়েছে। শিশু প্রতি ৫০ গ্রাম এবং মায়েদের জন্য বরাদ্দ চালের পরিমাণ ১১০ গ্রাম। মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার ও শনিবার মাথাপিছু ৭৫ গ্রাম চাল এবং ৩০ গ্রাম ডাল ও শিশুদের অর্ধেক ডিম এবং মায়েদের জন্য একটি করে গোটা ডিম বরাদ্দ রয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই তালিকা মানা সম্ভব হচ্ছে না।

    এই বিষয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকারা জানান, সরকারিভাবে প্রতিটি ডিমের জন্য কেন্দ্রগুলিকে বরাদ্দের পরিমাণ সাড়ে ছয় টাকা। এদিকে খোলা বাজারে একটি ডিম কিনতে খরচ হচ্ছে প্রায় আট টাকা বা তারও বেশি। সেই কারণেই নির্ধারিত বরাদ্দের মধ্যে ডিম দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

    eggs

    আরও পড়ুন: ৮১ হাজার স্কুলের ভোলবদল! সোলার থেকে স্মার্ট সুবিধা, শিক্ষাক্ষেত্রে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    তাছাড়া শুধুমাত্র ভাত ও ডিম দিয়ে খাবার পরিবেশন করাও যাচ্ছে না। সেই কারণে প্রতিদিনের জন্য বরাদ্দ থাকা ৩০ গ্রাম ডালকে ভাগ করে প্রতিদিন খিচুড়ি ও ডিম দেওয়া হত। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ডিমের লাগামছাড়া দামের জন্য তা আর মানা সম্ভব হচ্ছে না তাই সাময়িকভাবে ডিম সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ডিম বন্ধই রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    শিশুদের নিরাপত্তায় বড় পদক্ষেপ! স্কুল-কলেজে আসছে Comprehensive Sex Education, কী থাকবে পাঠে?
    Next Article
    Get Up Kingshuk ছবির স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে কি বললেন শিবপ্রসাদ

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment