Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    মার্কিন হামলার পরেও যথেষ্ট শক্তিশালী ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডার! গোয়েন্দা রিপোর্টে সামনে এল অবাক করা তথ্য

    1 day ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: আমেরিকার সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির আবহে ফের আলোচনায় উঠে এসেছে ইরানের (Iran) সামরিক শক্তি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধের ধাক্কা সামলেও ইরান এখনও বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভাণ্ডার ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলে ভবিষ্যৎ সংঘাতের আশঙ্কা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার মধ্যেই তেহরানের অস্ত্রসজ্জা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে। ইরানের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজন হলে তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরিন এবং সৌদি আরবের মতো দেশগুলিকেও লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কূটনৈতিক ও সামরিক বিশেষজ্ঞরা।

    মার্কিন হামলার পরেও যথেষ্ট শক্তিশালী ইরানের (Iran) অস্ত্র ভাণ্ডার!

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সংঘর্ষ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ৬৯টি গোপন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ধ্বংস করেছিল। তবে সেই ধাক্কা কাটিয়ে ইরান ইতিমধ্যেই অন্তত ৫০টি স্টেলথ বা গোপন উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা পুনরায় সক্রিয় করেছে বলে জানা যাচ্ছে। এই লঞ্চারগুলির সঙ্গে মিলিয়ে বর্তমানে ইরানের হাতে প্রায় ১,০০০টিরও বেশি প্রস্তুত ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে বলে অনুমান। যুদ্ধকালীন ক্ষয়ক্ষতির পরও এত দ্রুত সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে পারা ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি ও মোবাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার কারণে ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন।

    আরও পড়ুন: অমরত্বের খোঁজে পুতিনের মেগা মিশন! ২.৪৭ লক্ষ কোটির প্রকল্পে রাশিয়ায় শুরু বার্ধক্যের বিরুদ্ধে লড়াই

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য সামনে এসেছে মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদনে। সেখানে গোয়েন্দা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের হাতে প্রায় ৩,০০০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। সংঘর্ষে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও বর্তমানে তারা সেই সক্ষমতার প্রায় ৭০ শতাংশ পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে। অর্থাৎ এখন ইরানের হাতে আনুমানিক ২,১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশটির কাছে প্রায় ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা রয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ৫০টি এখনও গোপনে সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। এই তথ্য সামনে আসার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ইরানের ড্রোন শক্তিও বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছে। বিশেষ করে শাহেদ সিরিজের ড্রোন আন্তর্জাতিক মহলে যথেষ্ট পরিচিত। এই ড্রোনগুলি অতীতে বিভিন্ন সংঘাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলার ক্ষেত্রেও ব্যবহার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের হাতে বর্তমানে হাজার হাজার শাহেদ ড্রোন মজুত রয়েছে। তুলনামূলক কম খরচে তৈরি হলেও এই ড্রোনগুলি দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ফলে ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন বাহিনীও ইরানের সামরিক কৌশলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

    এদিকে এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে চিন ও রাশিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনা সংস্থাগুলির কাছ থেকে বিভিন্ন অস্ত্রের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করে ইরান স্বল্পমূল্যের রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। একইভাবে রাশিয়ার কাছ থেকেও বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সহায়তা ও সরঞ্জাম পেয়েছে তেহরান। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে বেজিং বা মস্কো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত মন্তব্য করেনি। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, চিন তাঁকে আশ্বাস দিয়েছে যে তারা ভবিষ্যতে ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করবে না। যদিও ট্রাম্পের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় চিনের তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।

    Even after the US attack, Iran remains significantly powerful in terms of its arsenal!

    আরও পড়ুন: অমরত্বের খোঁজে পুতিনের মেগা মিশন! ২.৪৭ লক্ষ কোটির প্রকল্পে রাশিয়ায় শুরু বার্ধক্যের বিরুদ্ধে লড়াই

    অন্যদিকে সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতাও জারি রয়েছে। যুদ্ধবিরতির পর ইরান (Iran) ও যুক্তরাষ্ট্র নতুন পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এই আলোচনায় কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গেছে। প্রস্তাবিত চুক্তির খসড়ায় হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত রাখার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি সীমিত বা বন্ধ করার বিষয়েও আলোচনা চলছে। তবে একদিকে যখন কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে স্থিতাবস্থা ফেরানোর চেষ্টা চলছে, অন্যদিকে ইরানের বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভাণ্ডারের তথ্য প্রকাশ্যে আসায় মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ভেঙে গেল পুরোনো সব রেকর্ড! IPL 2026-এ ইতিহাস বদলে দিলেন কোহলি, গিল, সূর্যবংশী-রা
    Next Article
    অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিল আপ নিয়ে চিন্তা শেষ! কোনও তথ্য না থাকলে কী করবেন? জানালেন অগ্নিমিত্রা

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment