Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    সমুদ্রেও ভারতের দাপট! শত্রুদের যোগ্য জবাব দেবে ‘সাইলেন্ট কিলার’ তক্ষক, চমকে দেবে ক্ষমতা

    2 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: বর্তমানে সমগ্র বিশ্বে সামরিক দিক থেকে অন্যতম শক্তিশালী দেশ হিসেবে বিবেচিত হয় ভারত। শুধু তাই নয়, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভারত তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ক্রমশ উন্নত করছে। এমতাবস্থায়, ভারত নৌ-যুদ্ধ সক্ষমতার দিকেও জোর দিচ্ছে। এই আবহেই এবার একটি বড় আপডেট সামনে এসেছেন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হেভিওয়েট টর্পেডো ‘তক্ষক’ (Takshak Torpedo)-এর সমুদ্রে ট্রায়াল এই বছর শুরু হবে এবং ২০২৭ সালে এর আসল ওয়ারহেড পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এই টর্পেডোটি ভারতীয় নৌবাহিনীর কালভারি-শ্রেণির সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপ করা হবে। এই পরীক্ষাগুলি সাবমেরিনগুলির চলমান আধুনিকীকরণ এবং সংস্কারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। পাশাপাশি জানা গিয়েছে যে, প্রতিটি পরীক্ষা সফল হলে ২০২৭ সালে আসল ওয়ারহেডের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হবে।

    শত্রুদের যোগ্য জবাব দেবে ‘সাইলেন্ট কিলার’ তক্ষক (Takshak Torpedo):

    জানিয়ে রাখি যে, ‘তক্ষক’ টর্পেডোটি DRDO-র নাভাল সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজিক্যাল ল্যাবরেটরি (NSTL) দ্বারা তৈরি করা হয়। এটি অ্যাডভান্স ইলেকট্রিক হেভিওয়েট টর্পেডো। যা পুরোনো বরুণাস্ত্র টর্পেডোর একটি আধুনিক সংস্করণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এদিকে, ‘তক্ষক’ টর্পেডো ইলেকট্রিক হেভিওয়েট টর্পেডো (EHWT) নামেও পরিচিত। এটি শত্রু সাবমেরিন এবং জাহাজকে টার্গেট করার জন্য তৈরি করা হচ্ছে। যার লক্ষ্য হল ভারতকে এই ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরশীল করে তোলা। একইসঙ্গে, তক্ষকের অন্তর্ভুক্তি ভারতের সমুদ্রের অভ্যন্তরীণহামলা চালানোর ক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে এবং বিদেশি টর্পেডোর ওপর নির্ভরতাও কমাবে।

    Know the capabilities of India's Takshak Torpedo at sea.

    বিভিন্ন সামুদ্রিক পরিস্থিতিতে পরীক্ষাগুলি চালানো হবে: মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এই প্রকল্পে একটি বড় মাইলফলক অর্জিত হয়। সেই সময়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ফরাসি নৌ গোষ্ঠীর সঙ্গে ৮৭৭ কোটি টাকার একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।এই চুক্তির অধীনে, তক্ষককে সাবমেরিনের SUBTICS কমব্যাট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত করা হচ্ছে। এই সিস্টেমটি সাবমেরিনের সেন্সর থেকে শুরু করে অস্ত্র এবং ফায়ার কন্ট্রোল পরিচালনা করে। যা টর্পেডোর ব্যবহারকে আরও নির্ভুল ও সহজ করে তোলে। তবে, পরীক্ষার আগে বন্দরে বেশ কয়েকটি ড্রাই ও ওয়েট টেস্ট (শুষ্ক ও আর্দ্র) পরীক্ষা চালানো হবে। ২০২৬ সালে বিভিন্ন সামুদ্রিক পরিস্থিতিতে এটির পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। যেখানে এই টর্পেডোর ফাইবার-অপটিক গাইডেন্স সিস্টেমেরও পরীক্ষা করা হবে। এই ব্যবস্থাটি টর্পেডোকে তাৎক্ষণিকভাবে দিক পরিবর্তন করার ক্ষমতা দেয়।

    আরও পড়ুন: IPL-এ ফের বৈভব সূর্যবংশীর দাপট! মাত্র ৮ টি ম্যাচেই যা করলেন তিনি… জানলে চমকে যাবেন

    পরীক্ষাগুলি কবে সম্পন্ন হবে: জানিয়ে রাখি যে, এই পরীক্ষাগুলি সফল হলে ২০২৭ সালে একটি আসল ওয়ারহেড পরীক্ষা চালানো হবে। যেখানে একটি পুরনো জাহাজ বা লক্ষ্যবস্তুর দিকে আসল বিস্ফোরকসহ টর্পেডো নিক্ষেপ করা হবে। তবে, এই প্রকল্পটি কিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল ফাইবার-অপটিক কেবল সুরক্ষিত রাখা। কারণ এটি ছিঁড়ে গেলে টর্পেডোর ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়াও উৎক্ষেপণের সময় সাবমেরিনের স্টিলথ অবস্থা বজায় রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামগ্রিকভাবে, তক্ষক টর্পেডোর সাফল্য ভারতীয় নৌবাহিনীর সক্ষমতা যে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

    আরও পড়ুন: অপারেশন সিঁদুরে নিহত পরিবারের ১০ জন! এবার জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের দাদার রহস্যমৃত্যু

    রিং লেজার জাইরো বেসড নেভিগেশন: জানা গিয়েছে যে, প্রায় ৬.৪ মিটার দীর্ঘ টর্পেডোটি সাবমেরিনের লঞ্চ টিউবে ফিট করার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। যেখানে রয়েছে রিং লেজার জাইরো বেসড নেভিগেশন এবং দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি NavIC স্যাটেলাইট গাইডেন্স সিস্টেম। এটি অল্প সময়ের মধ্যে শত্রু সাবমেরিন এবং জাহাজের ওপর অত্যন্ত নির্ভুল আক্রমণ চালাতে পারে। এদিকে, এই টর্পেডোটির জন্য INS কালভারিতে একটি বিশেষ সুইম-আউট লঞ্চ সিস্টেম স্থাপন করা হচ্ছে। টর্পেডোটি কোনও শব্দ না করে জল থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারে। যা সাবমেরিনের গোপনীয়তা বজায় রাখে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    বুধে আরও বাড়বে বৃষ্টি? কোন কোন জেলায় ঝড় উঠবে? আবহাওয়ার আগাম খবর
    Next Article
    প্রার্থী হোক আর মুখ্যমন্ত্রী হোক দুর্নীতি করলে আইনের সামনে যেতে হবে : দিলীপ ঘোষ

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment