Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    পুজোয় ট্রেনের টিকিটের আকাল! সরাসরি NJP নয়, এই পথে গেলে মিলতে পারে কনফার্ম সিট

    47 minutes ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কাজের জন্য থাকা বহু মানুষ পুজোর ছুটিতে পরিবারের কাছে ফিরতে চান। আবার অনেকেই ছুটির কয়েকটা দিন কোথাও ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু সেই পরিকল্পনার শুরুতেই বড় ধাক্কা ট্রেনের টিকিট (Train Ticket)। উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলিতে আসনের চাহিদা এতটাই বেড়েছে যে বুকিং খুলতেই চোখের পলকে কনফার্ম টিকিট উধাও।

    টিকিট (Train Ticket) কনর্ফাম না হলে কী করবেন ?

    মহাষষ্ঠী, অর্থাৎ ১৬ অক্টোবরের যাত্রার জন্য টিকিট কাটার সুযোগ শুরু হতেই কনফার্ম ট্রেনের টিকিটের সংখ্যা শেষ। এরপরই বিভিন্ন ট্রেনের টিকিটের ওয়েটিং লিস্ট লম্বা হতে শুরু করে। অনলাইনে বসে টিকিট কাটার চেষ্টা হোক কিংবা রেলের সংরক্ষণ কাউন্টারে গিয়ে লাইন দেওয়া—দুই ক্ষেত্রেই যাত্রীদের অভিজ্ঞতা প্রায় একই। কনফার্ম টিকিট পাওয়ার বদলে অনেকের ভাগ্যে জুটছে শুধুই অপেক্ষার তালিকা।

    পরিস্থিতির চাপে রিজার্ভেশন কাউন্টারগুলিতেও ভিড় বাড়ছে। কনফার্ম টিকিটের আশায় কেউ ভোররাত থেকে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন, কেউ আবার দিনের পর দিন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ কাউন্টারে কয়েকজনের পিছনে দাঁড়িয়েই অনেকের মনে হচ্ছে, টিকিট পাওয়ার সুযোগ কার্যত শেষ। উত্তরবঙ্গের দিকে যাত্রীচাপ যে পুজোর সময়ে কয়েকগুণ বেড়ে যায়, তা নতুন নয়। সেই কারণে উৎসবের মরসুমে অতিরিক্ত পরিষেবা চালু করা এবং গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলিতে অতিরিক্ত কোচ সংযোজনের দাবি দীর্ঘদিনের।

    যাত্রীদের বক্তব্য, চাহিদার তুলনায় আসন কম থাকায় প্রতি বছরই একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। তাই সাময়িক ব্যবস্থা নয়, উত্তরবঙ্গ রুটে স্থায়ীভাবে ট্রেন ও আসনসংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। তবে সরাসরি নিউ জলপাইগুড়ির টিকিট না পাওয়ার অর্থ যে উত্তরবঙ্গ যাওয়ার পরিকল্পনা শেষ, এমনটা নয়। একটু অন্যভাবে যাত্রাপথ সাজালে বিকল্পের সন্ধান মিলতে পারে।

    এক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে ব্রেক জার্নি। অর্থাৎ প্রথমে NJP-এর বদলে অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ জংশন পর্যন্ত টিকিট কেটে, সেখান থেকে দ্বিতীয় একটি ট্রেনে গন্তব্যের দিকে যাওয়া। এই পদ্ধতিতে ১৫ অক্টোবর বারসোই জংশন পর্যন্ত যাওয়া যেতে পারে। সকালের ১৩০৫৩ কুলিক এক্সপ্রেস কিংবা সন্ধ্যার ১৩১৪৫ রাধিকাপুর এক্সপ্রেস ধরে প্রথমে বারসোই পৌঁছনোর পরিকল্পনা করা যায়। এরপর সেখান থেকে নিউ জলপাইগুড়ির জন্য অন্য ট্রেনের সংযোগ নেওয়া সম্ভব।

    বারসোই থেকে NJP যাওয়ার জন্য একাধিক ট্রেনের বিকল্প রয়েছে। যাত্রীরা পরিস্থিতি অনুযায়ী ১৫৪৮৪ মহানন্দা এক্সপ্রেস, ১২০৪১ শতাব্দী এক্সপ্রেস, ২২২৩৪ বন্দে ভারত এক্সপ্রেস কিংবা ১৩২৪৬ ক্যাপিটাল এক্সপ্রেসের মতো পরিষেবা বিবেচনা করতে পারেন। ফলে সরাসরি NJP-এর টিকিট না মিললেও ব্রেক জার্নি করে যাত্রা করার মাধ্যমে গন্তব্যে পৌঁছনোর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

    Train ticket shortage during Puja! you can get a confirmed seat like this

    আরও পড়ুন : রেলে চাকরি পেতে চান? প্রায় ৪ হাজার পদে নিয়োগ, আবেদনের শেষ তারিখ জানুন

    এই ধরনের পরিকল্পনা করার আগে প্রতিটি ট্রেনের সংশ্লিষ্ট তারিখের আসন, সময়সূচি ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া জরুরি। কারণ পুজোর মরসুমে চাহিদা অত্যন্ত বেশি থাকায় বিকল্প ট্রেনগুলিতেও দ্রুত আসন শেষ হয়ে যেতে পারে। পুজোর আগে উত্তরবঙ্গমুখী যাত্রীদের জন্য ট্রেনের টিকিট এখন সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ। সরাসরি কনফার্ম টিকিটের আশায় বসে না থেকে তাই বিকল্প যাত্রাপথও নজরে রাখা যেতে পারে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    OBC নিয়ে জট কাটতেই বড় সিদ্ধান্ত SSC-র, ২০ আগস্ট থেকে খুলছে Edit Option
    Next Article
    বনগাঁ শাখায় রেল পরিষেবায় বড়সড় বিঘ্ন! ট্রেন চলাচল বন্ধ, নাকাল হাজার হাজার যাত্রী

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment