Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    মাত্র ২৪ ঘণ্টায় করা যাবে লঞ্চ! ISRO-র প্রাক্তন বিজ্ঞানীদের মাধ্যমে তৈরি হল ‘অগস্ত্য ১’ রকেট

    3 hours ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ গবেষণার জগতে আরও এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানীদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা স্টার্টআপ ‘ভারত স্পেস ভেহিকল’-এর অগস্ত্য-১ (Agastya-1) রকেট। ২০২৪ সালে সুরাট থেকে যাত্রা শুরু করা এই সংস্থা তৈরি করছে একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী বেসরকারি রকেট ‘অগস্ত্য-১’। বহু দশকের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রাক্তন ইসরো বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে এই প্রকল্প ইতিমধ্যেই মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশেষ আগ্রহ তৈরি করেছে।

    ISRO-র প্রাক্তন বিজ্ঞানীদের মাধ্যমে তৈরি হল ‘অগস্ত্য ১’ (Agastya-1) রকেট

    ‘অগস্ত্য-১’ একটি দুই ধাপের ছোট লিফট রকেট, যার উচ্চতা প্রায় ২৮ মিটার। এটি তরল জ্বালানি—লিকুইড অক্সিজেন (LOX) ও RP-1 (কেরোসিন) ব্যবহার করে তৈরি। এই রকেটের বিশেষত্ব হল, এটি ৫০০ কেজি ওজনের স্যাটেলাইটকে সূর্য-সমলয় কক্ষপথে এবং ৮০০ কেজি স্যাটেলাইটকে পৃথিবী-কক্ষপথে পাঠাতে সক্ষম। বর্তমানে ছোট স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে, আর সেই বাজার ধরতেই এই প্রকল্পের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন:হাতে মাত্র কিছুক্ষণ, বিকেলের পরই ঝড়-বৃষ্টির তোলপাড় দক্ষিণবঙ্গে, আবহাওয়ার খবর

    এই রকেটের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হল তরল জ্বালানির ব্যবহার। সাধারণত ভারতের অধিকাংশ ছোট রকেট কঠিন জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল, যেখানে উৎক্ষেপণের আগে পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা করা কঠিন। কিন্তু ‘অগস্ত্য-১’-এর ক্ষেত্রে উৎক্ষেপণের আগে ইঞ্জিনের হট-ফায়ার টেস্ট করা সম্ভব, ফলে সম্ভাব্য ত্রুটি আগেই শনাক্ত করা যায়। প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের ইঞ্জিন আলাদা করে পরীক্ষা করা যায়, এমনকি স্টেজ সেপারেশন বা ফেয়ারিং খোলার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াও মাটিতে যাচাই করা সম্ভব, যা ব্যর্থতার ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

    এই প্রকল্পের পিছনে রয়েছেন ইসরোর অভিজ্ঞ বিজ্ঞানীরা। ড. এন. বেদাচালাম, যিনি ইসরোর লিকুইড প্রপালশন সিস্টেম সেন্টারের প্রাক্তন পরিচালক এবং ভারতের প্রথম ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন সফলভাবে পরীক্ষা করেছিলেন, এই উদ্যোগের অন্যতম মুখ। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এস. ভি. শর্মা, বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারের অভিজ্ঞ প্রকৌশলী, যিনি ড. এ.পি.জে. আবদুল কালামের নেতৃত্বে কাজ করেছেন। তাঁদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতাই এই প্রকল্পকে শক্ত ভিত দিয়েছে।

    The 'Agastya-1' rocket was developed by former ISRO scientists.

    আরও পড়ুন:যুদ্ধ থামানোর বৈঠকে উপস্থিত হয়ে আছাড় খেলেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী! নেটমাধ্যমে হাসির জোয়ার

    ইতিমধ্যেই এই স্টার্টআপ IN-SPACe এবং ইসরোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে, ফলে সরকারি পরীক্ষামূলক পরিকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ২০২৩ সালের নতুন মহাকাশ নীতির ফলে বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য মহাকাশ গবেষণার দরজা খুলে গেছে। স্কাইরুট অ্যারোস্পেস ও অগ্নিকুল কসমসের পর ‘অগস্ত্য-১’ (Agastya-1) প্রকল্প ভারতের বেসরকারি মহাকাশ অভিযানে নতুন সম্ভাবনার দিশা দেখাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে দেশের মহাকাশ যাত্রাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    জ্বালানি নিয়ে চিন্তার আবহেই ভারতের ‘মাস্টারস্ট্রোক’! দেশে আর হবে না বিদ্যুতের সঙ্কট
    Next Article
    'যে বাংলা সামলাতে পারছে না সে দিল্লি গিয়ে কি করবে' মমতাকে খোঁচা সুকান্তর

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment