Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    রাশিয়া-ইউক্রেনের বিবাদ মেটাবেন ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি! চন্দ্রচূড়ের ওপরেই ভরসা মস্কোর

    1 hour ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের (Russia-Ukrain War) আবহে এইবার দুই দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক বিবাদের মীমাংসা প্রক্রিয়ায় যুক্ত হল ভারতের (India) প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নাম (Dhananjaya Y. Chandrachud)। ইউক্রেনের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ‘ওশাদব্যাঙ্ক’ রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিনিয়োগ সংক্রান্ত চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মামলা করেছে। সেই মামলার নিষ্পত্তির জন্য যে তিন সদস্যের সালিশি কমিটি গঠন করা হয়েছে, চন্দ্রচূড়কে তার সদস্য হিসেবে নিয়োগ করেছে মস্কো। ফলে যুদ্ধের সরাসরি মধ্যস্থতা নয়, বরং যুদ্ধের জেরে তৈরি হওয়া একটি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ-বিবাদের আইনি নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছেন ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি।

    রাশিয়া-ইউক্রেনের বিবাদ মেটাবেন প্রাক্তণ প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের (Dhananjaya Y. Chandrachud):

    ২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। চার বছর ধরে চলা সেই সংঘাতের অবসানের জন্য বিভিন্ন সময়ে একাধিক কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনও স্থায়ী সমাধান হয়নি। এর মধ্যে ইউক্রেনের ‘ওশাদব্যাঙ্ক’ রাশিয়ার বিরুদ্ধে আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছে। ব্যাঙ্কটির অভিযোগ, রুশ সামরিক অভিযানের পর ডোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন এবং জাপোরিজিয়া অঞ্চলে থাকা তাদের একাধিক সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। এর ফলে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে ব্যাঙ্কটি। সেই ক্ষতির জন্যই মস্কোর কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করে আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ার পথে হেঁটেছে তারা (Dhananjaya Y. Chandrachud)।

    আরও পড়ুন: ‘বন্দে মাতরম’-এর অপমানে কড়া শাস্তি! হতে পারে ৩ বছরের কারাদণ্ড, রাষ্ট্রপতির সম্মতিতে তৈরি নতুন আইন

    এই মামলার সূত্রপাত আরও কয়েক বছর আগের একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে। ১৯৯৮ সালে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে হওয়া বিনিয়োগ সংক্রান্ত চুক্তিতে বলা হয়েছিল, এক দেশের পদক্ষেপের কারণে অন্য দেশের বিনিয়োগ বা ব্যবসায়িক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হলে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সালিশি ব্যবস্থার মাধ্যমে সেই বিবাদের নিষ্পত্তি করা যেতে পারে। সেই চুক্তির ভিত্তিতেই ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ওশাদব্যাঙ্ক প্রথমে রাশিয়াকে আনুষ্ঠানিক নোটিস পাঠিয়ে ক্ষতিপূরণ দাবি করে। অভিযোগ, মস্কোর তরফে সেই দাবির কোনও জবাব না মেলায় পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক সালিশি প্রক্রিয়ায় যায় ইউক্রেনের ব্যাঙ্ক। এখন সেই মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্যই গঠিত হয়েছে তিন সদস্যের কমিটি।

    কমিটিতে চন্দ্রচূড় ছাড়াও রয়েছেন ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুরের অধ্যাপক স্তাব্রোস ব্রেকুলাকিস। তাঁকে নিয়োগ করেছে ওশাদব্যাঙ্ক। অন্যদিকে, কমিটির সভাপতি হিসেবে দু’পক্ষের সম্মতিতে দায়িত্ব পেয়েছেন কোস্টারিকার প্রাক্তন বাণিজ্যমন্ত্রী দিয়ালা জিমেনেজ়। এই প্রথম নয়, এর আগেও রাশিয়ার তরফে আন্তর্জাতিক বিবাদে সালিশকারীর ভূমিকা পালনের জন্য চন্দ্রচূড়ের নাম বিবেচনা করা হয়েছিল। ‘উইন্টারশল ডিয়া’ এবং ‘উক্রেনারগো’ সংক্রান্ত দুটি পৃথক বিবাদে তাঁকে নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিল মস্কো। তবে সেই সময়ে চন্দ্রচূড় পার্মানেন্ট কোর্ট অফ আরবিট্রেশনের (PCA) একটি দায়িত্বে যুক্ত থাকায় রাশিয়ার প্রস্তাবে সাড়া দিতে পারেননি।

    Former CJI Dhananjaya Y. Chandrachud to resolve the Russia-Ukraine dispute.

    আরও পড়ুন: ব্রিকস ছাড়াও দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য তারেককে আমন্ত্রণ দিল্লির! ভারতে আসবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী?

    এ বার অবশ্য পরিস্থিতি আলাদা। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর আন্তর্জাতিক আইনি ক্ষেত্রে চন্দ্রচূড়ের (Dhananjaya Y. Chandrachud) অভিজ্ঞতা আরও এক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কাজে লাগতে চলেছে। তবে এই প্রক্রিয়াকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক মধ্যস্থতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি মূলত দুই দেশের মধ্যে একটি বিনিয়োগ সংক্রান্ত বাণিজ্যিক বিবাদের আন্তর্জাতিক সালিশি নিষ্পত্তি। তবু চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই মামলার গুরুত্ব যথেষ্ট। একদিকে রুশ সামরিক অভিযানের কারণে ইউক্রেনীয় সংস্থার সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির দাবি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক চুক্তির আওতায় সেই ক্ষতিপূরণের আইনি দায়—সব মিলিয়ে নজর থাকবে এই তিন সদস্যের কমিটির পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ‘বাস্তবতা পরিবর্তন করা যায় না’, অরুণাচলের ২৭ টি এলাকার নামবদলের প্রসঙ্গে চিনকে স্পষ্ট বার্তা ভারতের
    Next Article
    ‘১৫ বছর ধরে জঙ্গি অনুপ্রবেশে মদত!’ TMC সরকারকে নিশানা দেবাশিস ধরের

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment