Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    খাবারের প্যাকেটে মিথ্যে দাবি! কড়া অ্যাকশন FSSAI-র, নেসলে-পেপসিকো সহ একাধিক সংস্থায় ১৫০-রও বেশি নোটিস

    1 hour ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: দেশের (India) খাদ্য ও পানীয় বাজারে নিয়ন্ত্রক নজরদারি আরও জোরদার করেছে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা FSSAI। চলতি বছরের মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত একাধিক খাদ্য ও পানীয় সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কখনও পণ্যের লেবেলে বিভ্রান্তিকর দাবি, কখনও অনুমোদনহীন উপাদান, আবার কোথাও উৎপাদন ও মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ নিয়ে কারচুপির অভিযোগ সামনে এসেছে। ২২ আগস্ট FSSAI জানিয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলিতে এই ধরণের অভিযোগের ভিত্তিতে ১৫০ টিরও বেশি নোটিস পাঠানো হয়েছে। তালিকায় রয়েছে নেসলে ইন্ডিয়া, পেপসিকো, কোকা-কোলা ইন্ডিয়া, অ্যাবট ইন্ডিয়া, রেড বুল, ড্যানোন ইন্ডিয়া, মনস্টার এনার্জি, হেল এনার্জি, মন্ডলেজ ইন্ডিয়া, ডিয়াজিও, পেরনড রিকার্ড, ফেরেরো ইন্ডিয়া এবং কেনভিউয়ের মতো বড় সংস্থা। নিয়ন্ত্রক সংস্থার বক্তব্য, ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করতে পারে এমন বিজ্ঞাপন, অসত্য দাবি এবং লেবেলিংয়ের নিয়ম ভাঙার অভিযোগেই মূলত এই পদক্ষেপ।

    খাবারের প্যাকেটে মিথ্যে দাবির অভিযোগে কড়া অ্যাকশন FSSAI-র:

    সাম্প্রতিক কয়েকটি অভিযানেও সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। গুজরাটের ভাদোদরার সাভলিতে একটি উৎপাদন কেন্দ্র থেকে প্রায় ৩১.৬১ লক্ষ টাকা মূল্যের অ্যালকালাইন ওয়াটারের মজুত বাজেয়াপ্ত করেছে FSSAI। পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করে পানীয়তে ফুলভিক অ্যাসিডের উপস্থিতি পাওয়া যায়, যা প্যাকেটজাত পানীয় জলের ক্ষেত্রে অনুমোদিত উপাদান নয় বলে জানানো হয়েছে। বোতলের গায়ে পণ্যের নাম ও উপাদান সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যও ঠিকভাবে দেওয়া ছিল না। কয়েকটি বোতলের ভিতরে কালো কণার উপস্থিতিও ধরা পড়ে। গ্রাহকের অভিযোগের পর ফুড সেফটি কানেক্ট পোর্টালের মাধ্যমে বিষয়টি নজরে আসে। দিল্লির ওখলা শিল্পাঞ্চলেও অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি খাদ্য প্যাকেজ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ, পণ্যের উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ এবং ব্যাচ নম্বর মুছে দিয়ে সেগুলি নতুন করে ছাপানো হচ্ছিল। ঘটনাস্থল থেকে রাসায়নিক দ্রাবক ও প্রিন্টিং মেশিনও পাওয়া যায় এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালনাকারীর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ২৪ জন নাবিক নিয়ে বঙ্গোপসাগরে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ! খোঁজ মিলল ২ জনের, চলছে উদ্ধারকাজ

    এবার নজরে এসেছে এনার্জি ড্রিঙ্কের বাজারও। Sting, Red Bull, Monster Beverages, Campa Energy এবং Hell Energy-র মতো সংস্থাকে নোটিস পাঠিয়ে FSSAI জানিয়েছে, ভারতে ‘এনার্জি ড্রিঙ্ক’ নামে কোনও স্বতন্ত্র সরকারি খাদ্য শ্রেণি নেই। তাই এই পরিচয় ব্যবহার বা ‘শরীর ও মনকে সতেজ করে’ এবং ‘সাধারণ দুর্বলতা কমাতে সাহায্য করে’-র মতো দাবি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে লেবেল সংশোধনের জন্য ৯০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ‘১০০%’, ‘স্বাস্থ্যকর’, ‘প্রাকৃতিক’, ‘সতেজ’ কিংবা ‘চিনি যোগ করা হয়নি’-র মতো শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও প্রশ্ন তুলেছে FSSAI। এর জেরে Amway India, Emami এবং Bonn Biscuits-সহ কয়েকটি সংস্থা নিজেদের পণ্যের লেবেল ও দাবি বদলেছে বা সরিয়ে নিয়েছে।

    নজরদারি শুধু প্রস্তুতকারক সংস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। অনলাইন বাজার এবং রেস্তোরাঁ ব্যবসাতেও কড়া পদক্ষেপ করেছে FSSAI। আগস্টে Amazon ও Flipkart-এর মতো ই-কমার্স সংস্থাকে একাধিক নোটিস পাঠানো হয়েছে। একটি Amazon warehouse-এর লাইসেন্স বাতিলের কথাও সামনে এসেছে। একই সময়ে KFC, McDonald’s, Pizza Hut, Domino’s এবং Costa Coffee-র মতো খাদ্য পরিষেবা সংস্থাগুলির বিভিন্ন আউটলেটকে ৩০টিরও বেশি নোটিস দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে Domino’s-এর পাঁচটি আউটলেটের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। অর্থাৎ খাবারের গুণমানের পাশাপাশি পণ্য কীভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, কী তথ্য দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে এবং গ্রাহকদের সামনে কী ধরনের দাবি তুলে ধরা হচ্ছে, সবকিছুকেই এখন নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে।

    FSSAI takes strict action over false claims on food packets.

    আরও পড়ুন: সবাই পাবেন না আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা! এই শর্ত পূরণ করলে তবেই মিলবে ৫ লক্ষের সহায়তা

    খাদ্য নিরাপত্তা ও মান সংক্রান্ত নিয়ম অনুযায়ী, কোনও পণ্য সম্পর্কে করা দাবি স্পষ্ট, নির্ভুল এবং বিভ্রান্তিকর নয়—এমন হওয়া প্রয়োজন। পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ছাড়া কোনও খাবারকে ‘স্বাস্থ্যকর’, ‘১০০% বিশুদ্ধ’ বা ‘প্রাকৃতিক’ বলে প্রচার করা নিয়ে আপত্তি উঠতে পারে। একইভাবে পণ্যের নাম, উপাদান, উৎপাদনের তারিখ এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ সঠিকভাবে উল্লেখ করাও বাধ্যতামূলক। এই তথ্য মুছে ফেলা বা পরিবর্তন করে নতুন করে ছাপানো গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সামগ্রিকভাবে FSSAI-এর সাম্প্রতিক পদক্ষেপে স্পষ্ট, এখন শুধু খাবারের মান নয়, প্যাকেজিং, বিজ্ঞাপন, অনলাইন বিক্রি এবং রেস্তোরাঁ পরিষেবার ক্ষেত্রেও নজরদারি বাড়ছে। ফলে নিয়ম মেনে চলতে ব্যর্থ সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে আগামী দিনে আরও নোটিস, লাইসেন্স স্থগিত কিংবা প্রয়োজন অনুযায়ী কঠোর আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনা থাকছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ‘সবাই অন্নপূর্ণা যোজনা পাবেন, না পেলে আমায় জানান, আমি…’! বিরাট ঘোষণা রচনার
    Next Article
    সরকারি কর্মী ও শিক্ষকদের জন্য বিশেষ বোনাস! কত টাকা? বিরাট ঘোষণা রাজ্যের

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment