Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    চিনের দুর্লভ খনিজের দিকে নজর ভারতের! মোদী-জিনপিং বৈঠকেই হবে বড় চুক্তি?

    4 hours ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: দুর্লভ খনিজের (Rare Earth Minerals) সরবরাহ নিশ্চিত করতে চিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির পথে এগোচ্ছে ভারত (India)। সূত্রের খবর, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য বৈঠককে সামনে রেখে এই চুক্তির রূপরেখা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে সন্ধ্যায় দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তার মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে দুর্লভ খনিজের সরবরাহ। এর আগে দুই দেশের মধ্যে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় খনিজ সরবরাহের ক্ষেত্রে ভারতকে আশ্বাস দিয়েছিল বেজিং। এবার সেই আশ্বাসকে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তির রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানা গিয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে ব্রিকস সম্মেলনের সময়ই চুক্তিতে সই হতে পারে।

    মোদী-জিনপিং বৈঠকেই চিনের দুর্লভ খনিজ (Rare Earth Minerals) নিয়ে ভারতের সঙ্গে বড় চুক্তি সম্ভাবনা?

    আধুনিক শিল্প ও প্রযুক্তি ব্যবস্থায় দুর্লভ খনিজের গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। বৈদ্যুতিক গাড়ি, শক্তিশালী ব্যাটারি, চুম্বক, ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম এবং নানা উচ্চপ্রযুক্তির পণ্য তৈরিতে এই উপাদানগুলির প্রয়োজন হয়। এই কারণেই বিশ্বজুড়ে দুর্লভ খনিজের সরবরাহ নিয়ে কৌশলগত প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের মোট দুর্লভ খনিজ সরবরাহের প্রায় ৮০ শতাংশ চিনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে মনে করা হয়। ফলে এই খনিজের জন্য বহু দেশকেই বেজিংয়ের উপর নির্ভর করতে হয়। ভারতের সঙ্গে সরবরাহ চুক্তি হলে দেশের শিল্প ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ খনিজের জোগান আরও স্থিতিশীল হতে পারে। একই সঙ্গে চিনের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতার ঝুঁকিও কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।

    আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম কারাগারে বন্দি ছেলে, হল না শেষ দেখা! না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন হিন্দু সাধু চিন্ময়কৃষ্ণের মা

    তবে শুধু আমদানির উপর নির্ভর করে থাকতে চাইছে না নয়াদিল্লি। ভারতের মাটিতেও দুর্লভ খনিজের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। অনুমান অনুযায়ী, বিশ্বের মোট দুর্লভ খনিজের প্রায় ৬ শতাংশ ভারতের ভূগর্ভে রয়েছে এবং এই হিসাবে বিশ্বে ভারতের অবস্থান তৃতীয়। সরকারি তথ্য বলছে, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, তামিলনাড়ু, কেরল, পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, রাজস্থান, গুজরাত ও মহারাষ্ট্রে মোট ৭২.৩ লক্ষ টন সম্ভাব্য মজুতের সন্ধান পেয়েছে ভূগর্ভ সমীক্ষা দফতর। কিন্তু সেই মজুতের বড় অংশ এখনও বাণিজ্যিক ভাবে উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি। এই পরিস্থিতিতে দেশের নিজস্ব সম্পদ চিহ্নিত করা, উত্তোলন বাড়ানো এবং ব্যবহার নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল ক্রিটিক্যাল মিনারেল মিশনও শুরু করেছে কেন্দ্র।

    দুর্লভ খনিজ বলতে মূলত ১৭টি বিশেষ উপাদানকে বোঝানো হয়। এর মধ্যে স্ক্যান্ডিয়াম, সামেরিয়াম, ডিসপ্রোসিয়াম, টারবিয়াম, ইট্রিয়াম, গ্যাডোলিনিয়াম এবং লুটেটিয়ামের মতো উপাদান রয়েছে। ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে এগুলির ভূমিকা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই চিনের পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গেও এই ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে ভারত। মস্কো ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, ভারতের দুর্লভ খনিজের সন্ধান ও অনুসন্ধানে তারা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এই কাজ যথেষ্ট জটিল এবং সময়সাপেক্ষ হওয়ায় রাশিয়ার অভিজ্ঞ সংস্থাগুলির প্রযুক্তিগত দক্ষতাও কাজে লাগাতে চাইছে ভারত। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভও জানিয়েছেন, এই ক্ষেত্রে ভারতকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রাশিয়া।

    Is a major agreement between India-China on rare earth minerals likely to happen soon?

    আরও পড়ুন: সামনেই ব্রিকস ও পুতিন সফর! উদ্বোধনের পর ভারতের এই বিমানবন্দরে নামল প্রথম বিদেশি সামরিক বিমান

    আগামী ১১ সেপ্টেম্বর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে ব্রিকস সম্মেলনের আগে পরপর দুই গুরুত্বপূর্ণ শক্তির সঙ্গে দুর্লভ খনিজ (Rare Earth Minerals) নিয়ে ভারতের আলোচনা হতে পারে। বর্তমানে এই খনিজ আর শুধুমাত্র শিল্পের কাঁচামাল নয়; অর্থনীতি, প্রযুক্তি এবং কৌশলগত নিরাপত্তার সঙ্গেও তা সরাসরি যুক্ত। আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চিনকে ঘিরে একাধিক দেশের উদ্বেগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একদিকে দেশের মাটিতে নতুন মজুত খুঁজে উত্তোলন বাড়ানো, অন্যদিকে চিন ও রাশিয়ার মতো দেশের সঙ্গে সরবরাহ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা গড়ে তোলার কৌশল নিয়েছে নয়াদিল্লি। ফলে আগামী দিনে ভারতের শিল্প ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রের জন্য একটি স্থায়ী ও বহুমুখী দুর্লভ খনিজ সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ‘শারদোৎসব’ নয়, লিখতে হবে ‘দুর্গাপূজা’! পুজোর স্টল নিয়ে কমিটিগুলিকে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
    Next Article
    মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া, দুর্গাপুজোয় ১ লক্ষ টাকার সরকারি অনুদান নেবে না বেহালা ফ্রেন্ডস ক্লাব

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment