Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ‘আমার বিশ্বাস শর্মিষ্ঠারা সুস্থ আছে…’! নেপাল বিপর্যয়ে স্ত্রীর নিখোঁজ হওয়া নিয়ে বড় বার্তা শুভ্রাংশুর

    1 hour ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ নেপালে হড়পা বানের পর কেটে গিয়েছে প্রায় ১৫ দিন। তবে এখনও কোনও খোঁজ নেই প্রাক্তন বিধায়ক মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়ের (Sarmistha Roy)। তবে মুকুল পুত্র শুভ্রাংশুর (Subhranshu Roy) বিশ্বাস, শর্মিষ্ঠারা এখনও সুস্থ আছেন। তাঁর অনুমান, চিন-তিব্বত সীমান্তের কোনও এক অজানা জায়গায় হয়তো রয়েছেন শর্মিষ্ঠা সহ নিখোঁজ ৩২ জন।

    শর্মিষ্ঠাকে নিয়ে ফের পোস্ট শুভ্রাংশুর | (Subhranshu Roy)

    গত ২১ অগাস্ট হাওড়া থেকে একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন শুভ্রাংশু ঘরণী। সেখানে ভালোভাবে পৌঁছেও ছিলেন। তবে হড়পা বানের পর থেকে শর্মিষ্ঠার সঙ্গে পরিবারের আর কোনও যোগাযোগ নেই। এরপর দেখতে দেখতে প্রায় ১৫ দিন কেটে গেলেও মুকুল রায়ের পুত্রবধূর কোনও খোঁজ মেলেনি।

    আরও পড়ুনঃ অষ্টম পে কমিশন নিয়ে বড় দাবি অবসরপ্রাপ্তদের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা পড়ল চিঠি

    এই নিয়ে বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট করেন শুভ্রাংশু। ‘নেপালের সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নিখোঁজ হওয়া এক পর্যটকের পরিবারের তরফ থেকে কাতর আবেদন’ শীর্ষক সেই পোস্টে তিনি লেখেন, “একটা অদ্ভুত যন্ত্রণা হচ্ছে, তাও ৩২টি পরিবারের স্বার্থে বলতে বাধ্য হচ্ছি… নেপালের প্রাকৃতিক বিপর্যয় (হড়পা বান) ও তার পরবর্তী সময়ের ঘটনা সম্পর্কে সবাই অবগত… এই দুঃখজনক ঘটনা নিয়ে কিছু মিডিয়া নিজেদের টি. আর. পি. বৃদ্ধি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। পাশাপাশি ভ্রমণ সংস্থা ও তাঁদের আধিকারিকরা এই ঘটনা থেকে নিজেদের দায়িত্বপালন থেকে হাত ধুয়ে ফেলতে ব্যস্ত।“

    মুকুল পুত্র জানান, শর্মিষ্ঠা ‘চলো যাই’ নামের একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপালে গিয়েছিলেন। সেখানে পৌঁছনোর পর দায়িত্ব নেয় ‘সম্রাট ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস’। পরবর্তীতে তিব্বত সীমান্তে দায়িত্ব নেয় ‘লাসা’ নামের একটি চিনা ভ্রমণ সংস্থা।

    শুভ্রাংশুর দাবি, “এই বিষয়ে অন্য কোনও পরিবারের সদস্যরা অবগত থাকলেও আমার ব্যক্তিগতভাবে জানা নেই যে কোন কোন ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ ভ্রমণের চুক্তি হয়েছিল। আর এখন সবাই তার সঙ্গে কিছু মিডিয়া বলছে যে পর্যটকরা এখন আর জীবিত নেই। তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেওয়া হয় যে পর্যটকদের বেঁচে না থাকার প্রচার সত্য, তাহলে ‘সম্রাট ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস’ এবং শেষ পর্যন্ত ‘লাসা’ র কী কথোপকথন হয়েছিলো তার বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আনা উচিৎ… এই দায়িত্ব অবশ্যই নিতে হবে ‘চলো যাই’ সংস্থাকে। সম্রাট ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস এর যে বাসটির কথা বলে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে সেটির সত্যতা যাচাই করতে বাসে থাকা প্রত্যেকের পাসপোর্ট ও ছবি সামনে আনা হোক।“

    মুকুল পুত্র আরও লেখেন, “চিন-তিব্বত সীমান্তে সেদিন কতজন ইমিগ্রেশন করেছিলেন বা যদি নাও করে থাকেন তাহলে তা একটি শ্বেতপত্র আকারে প্রকাশ করা হোক… এবিষয়ে ভারত সরকারের কাছে আমার করজোড়ে আবেদন দায়িত্ব নেওয়ার জন্য। আমার মনে হয় যেহেতু ভারতীয় পর্যটকের সংখ্যা আমাদের দেশের জনসংখ্যার নিরিখে নগণ্য (১৮৪–২০০ জন মতো) । তাই হয়তো গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি দেখা হচ্ছে না, দুর্গাপুজো আসন্ন, এই মরশুমে তাই এই দুর্ঘটনার বিষয়টি ধামাচাপা না দিতে পারলে নেপাল যাওয়া পর্যটকের সংখ্যা কমে গিয়ে ব্যবসায়ের আর্থিক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।“

    শুভ্রাংশুর দাবি, ডিএনএ টেস্ট করানো হলে সেটি যেন অন্তত দু’বার করানো হয়। পাশাপাশি সেটি ভারত সরকারের উদ্যোগে করানোর দাবি জানিয়েছেন তিনি। কারণ জানিয়ে তিনি লেখেন, “চিন সরকার ও তার সহযোগী নেপাল তার দায়ভার এড়ানোর জন্য কার সাথে কার DNA ম্যাচ করাচ্ছে আমরা কেউই কিছু বুঝতে পারব না। সর্বোপরি বিপর্যয় হওয়ার যে সময়গুলোর কথা বলা হচ্ছে তা ভারত না নেপালের নাকি তিব্বত সীমান্তের সেটিও অফিসিয়ালি বিবৃতি দিয়ে জানানোর অনুরোধ রইল। আমরা অনেকেই সহানুভূতির সঙ্গে পর্যটকদের যাতে পাওয়া যায় তার জন্য ফেসবুক পোস্ট বা শেয়ার করছেন কিন্তু চিনে ফেসবুক বা টুইটার চলে না।“

    সবশেষে মুকুল পুত্র লেখেন, তাঁর বিশ্বাস এই ৩২ জন পর্যটকই চিন-তিব্বত সীমান্তের কোনও এক অজানা জায়গায় সুস্থ আছেন বলে তাঁর বিশ্বাস। তাঁর আবেদন, “অন্যভাবে কেউ নেবেন না বিপর্যয় আছড়ে পড়ার পর থেকে ওদের ইমিগ্রেশন এই পুরো সময়টা আমরা সকলে একটা গোলকধাঁধায় হারিয়ে গেছি এখনও পর্যন্ত।“

    Subhranshu Roy

    নিজের পোস্টে মিডিয়া হাউসগুলির কাছেও একটি আবেদন করেছেন শুভ্রাংশু। তিনি লেখেন, চিন-তিব্বত সীমান্তে সেদিন কি হয়েছিল এবং বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি কী? সেখানকার হাসপাতাল বা বৌদ্ধ মঠগুলোতে কারা কারা রয়েছেন বা নেই তার সঠিক তথ্য আমাদের বাংলার মানুষের কাছে তুলে আনুন।

    শুভ্রাংশু জানান, তিনি নিজের জন্য নয়, বরং ৩২টি পরিবারের জন্য একথা বলছেন। তাঁর আবেদন, “সবাই মিলে প্রার্থনা করুন যেন পরিবারগুলোর মুখে শীঘ্রই হাসি ফোটে।“

    Click here to Read More
    Previous Article
    সোলার প্ল্যান গঠনের জন্য আগারওয়াল পরিবারকে জমি দেবার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
    Next Article
    ১২৫ দিনের কাজ পেতে বাঁকুড়ায় হুড়োহুড়ি, VB-G RAM G প্রকল্পে প্রায় ৬৪ হাজার আবেদন

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment