Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ‘আইন ভেঙে’ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে পোস্টিং! এবার সিভিক-হোমগার্ডদের নিয়ে বড় পদক্ষেপ

    2 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক :পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় সিভিক ভলান্টিয়ার (civic volunteer) ও হোমগার্ডদের দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে নির্ধারিত কাজের সীমা অতিক্রম করে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের এমন সব জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছিল, যেখানে পুলিশি তথ্য ও সংবেদনশীল নথি নিয়ে কাজ হয়। পুলিশ কন্ট্রোল রুম, গোয়েন্দা বিভাগ থেকে শুরু করে নবান্নের পুলিশ অফিস পর্যন্ত তাঁদের উপস্থিতি ছিল বলে দাবি।

    সিভিক ভলেন্টিয়ারদের(Civic volunteer) নিয়োগ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    বর্তমানে পুলিশ ডিরেক্টরেটের নির্দেশে বিভিন্ন জেলায় অন্য বিভাগে কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়ার, হোমগার্ড এবং অস্থায়ী হোমগার্ডদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তাঁদের অনেককেই আগের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ট্রাফিক গার্ড এবং আউটপোস্টে পাঠানো হচ্ছে। কয়েকটি জেলায় ইতিমধ্যেই এই রদবদল কার্যকর হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

    অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের সময়ে থানার দৈনন্দিন কাজেও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হত। থানায় অভিযোগ গ্রহণ করা, জেনারেল ডায়েরি নথিভুক্ত করা, কেস ডায়েরি তৈরির মতো কাজ তাঁদের দিয়ে করানো হত বলে দাবি। কম্পিউটারে এফআইআরের কপি প্রস্তুত করা কিংবা তদন্তের প্রয়োজনে ঘটনাস্থলে যাওয়ার মতো দায়িত্বও তাঁরা পালন করতেন বলে অভিযোগ।

    তবে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়েছে তাঁদের গোয়েন্দা শাখায় ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে। কারণ, গোয়েন্দা সংক্রান্ত কাজের জন্য নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ এবং পেশাগত দক্ষতা প্রয়োজন। অভিযোগ, সেই ধরনের বিশেষ যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও বেশ কিছু সিভিক ও অস্থায়ী কর্মীকে গোয়েন্দা বিভাগে তথ্য সংগ্রহের কাজে রাখা হয়েছিল।

    একই ভাবে, জেলার পুলিশ কন্ট্রোল রুমগুলিতেও তাঁদের মোতায়েন করার অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন শিফটে কন্ট্রোল রুমের দায়িত্ব সামলাতেন তাঁরা। নবান্নের পুলিশ অফিসেও কিছু চুক্তিভিত্তিক কর্মী কাজ করতেন বলে দাবি করা হয়েছে। ওই অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পুলিশি নথি ও গোপনীয় বিষয় নিয়ে কাজ হয় বলেই সেখানে তাঁদের দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।অভিযোগ, চুক্তির সময় সিভিক ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় কাজ করার কথা বলা হয়েছিল। আদালতের নির্দেশেও তাঁদের পুলিশের সহায়ক হিসেবে কাজ করার কথা উল্লেখ রয়েছে।

    কিন্তু সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে তাঁদের ট্রাফিকের বাইরের বিভিন্ন শাখায় ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে কয়েকজন সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও সামনে এসেছে। তাঁদের একাংশের বিরুদ্ধে তোলাবাজির মতো অভিযোগ উঠলেও রাজনৈতিক আশ্রয়ের কারণে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

    Major move regarding civic volunteers and home guards

    আরও পড়ুন : ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগে বড় আপডেট! আরও ৮ মাস সময় চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে কমিশন

    সরকার পরিবর্তনের পর বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করা হয়। কোথায় কতজন সিভিক, হোমগার্ড এবং অস্থায়ী হোমগার্ড কর্মরত রয়েছেন, তা জানতে তালিকা তৈরি করা হয়। সেই তালিকা পর্যালোচনা করেই দেখা যায়, বহু কর্মী তাঁদের নির্ধারিত ট্রাফিক দায়িত্বের বাইরে বিভিন্ন বিভাগে কাজ করছেন। এরপর জেলা পুলিশকে ওই কর্মীদের পোস্টিং পুনর্বিন্যাসের নির্দেশ দেওয়া হয়। পুলিশের এই সিদ্ধান্তে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের দায়িত্বের সীমা নতুন করে স্পষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    দলীয় নীতির প্রচারে বেহালায় বিজেপির 'পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় মহাপ্রশিক্ষণ' শিবিরে লকেট
    Next Article
    বড় সিদ্ধান্ত সরকারের! বদলে গেল মোবাইল নেটওয়ার্কের নিয়ম, বাড়ির প্রতিটি কোণে মিলবে 5G সিগন্যাল

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment