Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    একদিনের দেরিতেই বদলে গেল ভাগ্য! মুকুল রায় পুত্রবধূকে নিয়ে কি জানালেন সন্দীপ?

    1 day ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : ভাগ্যের সামান্য হেরফের যে কখন কার জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে, নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের (Nepal) ঘটনায় তারই সাক্ষী বীরভূমের সিউড়ির বাসিন্দা সন্দীপ দেব। হাওড়া স্টেশনে একই ট্রেনে নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়ও। দুজনেরই গন্তব্য ছিল মানস সরোবর। কিন্তু ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে এক দিনের ব্যবধান তৈরি হওয়ায় একই যাত্রাপথের দুই দল পর্যটকের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে যায়।

    নেপালে (Nepal) বিপদের মধ্যে মুকুল রায়ের পুত্রবধূ,কী জানালেন সন্দীপবাবু ?

    একদিন পরে রওনা হওয়ায় বিপর্যস্ত এলাকা থেকে দূরে ছিলেন সন্দীপবাবুরা। অন্যদিকে, একদিন আগে বেরিয়ে পড়া শর্মিষ্ঠাদেবী-সহ আরও কয়েকজন পর্যটক তখন চিন সীমান্তের কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। গত ২১ অগাস্ট কলকাতার একটি পর্যটন সংস্থার সঙ্গে ৫২ জনের দলের সদস্য হয়ে নেপালের উদ্দেশে রওনা দেন সন্দীপবাবু। হাওড়া থেকে মিথিলা এক্সপ্রেসে তাঁদের যাত্রা শুরু হয়। একই ট্রেনে একই দিনে অন্য একটি পর্যটন সংস্থার দলের সঙ্গে নেপালের পথে পাড়ি দিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠাদেবীও।

    হাওড়া স্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায় থাকার সময় তাঁকে দেখেছিলেন সন্দীপবাবু। পরে কাঠমাণ্ডুতে পৌঁছেও দুটি দলের থাকার জায়গা ছিল কাছাকাছি। সন্দীপবাবুরা যে হোটেলে ছিলেন, তার আশপাশের একটি হোটেলেই ছিলেন শর্মিষ্ঠাদেবীরা। নেপালে পৌঁছনোর পর অবশ্য দুটি দলের যাত্রার সময় আলাদা হয়ে যায়। শর্মিষ্ঠাদেবীদের ভিসা আগে হয়ে যাওয়ায় তাঁরা ২৫ অগাস্ট মানস সরোবরের দিকে রওনা দেন। সন্দীপবাবুদের ভিসা পেতে আরও একদিন সময় লাগায় তাঁদের যাত্রা শুরু হয় ২৬ অগাস্ট সকালে। পরে সেই এক দিনের দেরিকেই নিজের জীবনের বড় সৌভাগ্য বলে মনে হয়েছে সন্দীপবাবুর।

    শর্মিষ্ঠাদেবীদের দল ২৫ তারিখই রওনা হয়ে চিন সীমান্ত সংলগ্ন ইমিগ্রেশন পয়েন্টে পৌঁছে গিয়েছিল। বিপর্যয়ের জেরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলির মধ্যে ওই অঞ্চলও ছিল বলে জানিয়েছেন সন্দীপবাবু। পাহাড়ি এলাকা দিয়ে নেমে আসা বিপুল জলরাশি মুহূর্তের মধ্যে বিস্তীর্ণ অংশকে বিপর্যস্ত করে দেয়। ফলে ওই সময় সেখানে থাকা পর্যটকদের নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    সন্দীবাবুর কথায়, ওরা ২৫ তারিখ সকালেই বেরিয়ে গিয়েছিলেন। ওনারা আগের দিন গিয়ে সাইবুলপ্রেসি বলে একটি জায়গায় ছিলেন। পরের দিন সকালে ইমিগ্রেশন হয়। স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা পরে বললেন, “ওই দলটি যখন ইমিগ্রেশনের জন্য লাইনে অপেক্ষা করছিল তখনই এই বিপর্যয় ঘটে। তার পর ওনারা কেমন আছেন, জানি না। তবে ওই দলের থেকে দুর্গাপুরের বাসিন্দা একজন মহিলাকেই জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে শুনেছি।”

    এদিকে সন্দীপবাবুদের যাত্রাপথেও এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যার জেরে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছতে সময় কিছুটা বেশি লাগে। পথে দুবার গাড়ি থামিয়ে খাওয়াদাওয়া করেছিলেন তাঁরা। সেই কারণে যাত্রায় কিছুটা বিলম্ব হয়। আর সেই বিলম্বই শেষ পর্যন্ত তাঁদের আরও একটি বিপদ থেকে বাঁচিয়ে দেয়। কারণ, তাঁদের যাওয়ার আগেই একটি ব্রিজ প্রবল জলের তোড়ে ভেসে যায়।

    Sandip say about Mukul Roy's daughter-in-law after returning from Nepal

    আরও পড়ুন : মুছে ফেলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই যাদবপুরে ফের দেওয়াল লিখন! কারা লিখল?

    উল্লেখ্য, তবে তাঁদের দলের রান্নার সরঞ্জাম বহনকারী একটি গাড়ি তখন আগেই ওই সেতু পার হয়ে গিয়েছিল। পরে জল নেমে যাওয়ার তিন দিন পর সেই গাড়ি ফিরে আসে। সন্দীপবাবুর বক্তব্য অনুযায়ী, যাত্রাপথে ভিসার এক দিনের দেরি এবং পরে গাড়ি থামানোর কারণে তৈরি হওয়া সামান্য সময়ের ব্যবধানই তাঁদের ক্ষেত্রে কার্যত আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়ায়। একই সময়ে একই ট্রেনে যাত্রা শুরু করেও মাত্র কয়েক ঘণ্টা বা এক দিনের ব্যবধানে দুই দলের এমন ভিন্ন পরিণতি তাই নতুন করে ভাগ্যের কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    পুজোর ভিড় সামলাতে বড় উদ্যোগ! শিয়ালদহে চালু হচ্ছে অন-দ্য-স্পট টিকিট পরিষেবা
    Next Article
    ভূমিধসের আগেই মোবাইলে অ্যালার্ম! নেপালের বিপর্যয় থেকে শিক্ষা নিয়ে বড় পদক্ষেপ নবান্নের

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment